1. বিডি সংবাদ ৭১ ডেস্ক
    বাংলা ভিশনের বার্তাপ্রধান মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল বিএনপির সঙ্গে দেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী উন্মুখ হয়ে তাকিয়ে আছে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা সেদিকে। খালেদা জিয়ার সমর্থকরা কিন্তু আশাবাদী। তাদের আশাবাদি হওয়ার কারণ হিসেবে বলা যায় নির্বাচন কমিশনে দ্বিধাবিভক্তি এবং হাইকোর্টেও দ্বিধাবিভক্তি। সংখ্যায় প্রতিপক্ষ যত জনই হোক না কেন। মঙ্গলবার ডিবিসি নিউজ’র টকশোতে তিন এ কথা বলেন।
    তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন মর্মে রিটার্নিং অফিসার তার প্রার্থীতা বাতিল করেছেন। কিন্তু তিনি তো জেলে ছিলেন, তিনি লঙ্ঘন কীভাবে করলেন? একজন নির্বাচন কমিশনার প্রথমেই এই পয়েন্টটি দিয়ে ডিক্লেয়ার করে দিয়েছেন। পরে অন্য কমিশনাররা কোর্টের আগের রায় টা ফলো করলেন। বিষয়টি যখন হাইকোর্টে গেলো হাইকোর্টের একজন বিচারপতি বললেন নির্বাচন করতে পারবেন কিন্তু জুনিয়র বিচারপতির রায়ে সেটি সম্ভব না। ফলে আরেকটি বেঞ্চে চলে আসলো। রিটার্নিং অফিসার যে কারণে বাতিল করেছেন সেই কারণটা কতখানি যৌক্তিক সে প্রশ্ন নিয়ে বিচারিক লেভেলে দ্বিধাবিভক্তি। ফলে এটাকে ঘিরে একটি উত্তেজনা চলতে থাকবে।
    একজন দলীয় চেয়ারপারসনের ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারের আরো বেশি সচেতন হওয়া দরকার ছিলো না? এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা ফিরোজ বলেন, নির্বাচন কমিশনের গাউডলাইন ফলো করতে গিয়ে হয়তো তারা শুধুমাত্র একটি পয়েন্ট দেখেছেন, অন্য কোন বিষয়ে নজর দেননি। হাইকোর্টের বা সাংবিধানিক যে দ সে বিষয়টি মাথায় রাখেন নি।
    মোস্তফা ফিরোজ বলেন, অস্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজমান ছিলো। একপক্ষ ছিলো একেবারেই ঘরছাড়া ও মাঠছাড়া। নির্বাচনের কারণে বা রাজনৈতিক সুযোগে তারা যেহেতু এসেছে এই ইনসিডেন্টগুলো স্বাভাবিকভাবে ঘটবে। এক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসনকে কোনদিকে ঝুঁকে পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হলে।
SHARE